বিশ্বাস করুন আর নাই করুন: বিদ্যুৎ মানব ঝেং ডিকি
সোহরাব সুমন
শরীরে উৎপন্ন বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তের ওয়াটের বাতি জ্বালাতে পারে ঝিং ডিকি।
দুটি তারের একটি মাথায় অপরটি কানে লাগিয়ে খুব সহজে এ ধরনের কাজ করতে পারে
সে।
শুধু তাই নয়, এভাবে জ্বালানো বাতিগুলোর আলো পর্যন্ত কমাতে-বাড়াতে পারে ঝেং।
আরো মজার কথা হচ্ছে, সে এ রহস্যময় গুণ ব্যবহার করে মাত্র কয়েক মিনিটের
মধ্যে পুরো একটি কাঁচা মাছ সিদ্ধ করে ফেলতে পারে। ঝেংয়ের বয়স এখন বাহাত্তর।
সম্প্রতি সে চীনের আলটি সিটির হাইওয়ে দেখভালের কাজ থেকে অবসর নিয়েছে।
তারপরও এই বুড়ো বয়সে মাঝেমধ্যেই তাকে বিদ্যুতের তারে ঝুলে ব্যায়াম করতে
দেখা যায়। ২২০ ভোল্ট বিদ্যুতের তার মুঠো করে ধরে থাকার পরও তার কোনো ক্ষতি
হয় না। ইল মাছের এই পরিমাণ বিদ্যুৎ একজন মানুষ মারার জন্য যথেষ্ট। ৪৭ বছর
বয়সে নিজের এ অভাবনীয় ক্ষমতা সম্পর্কে ঝেং প্রথম জানতে পারেন। এ সময় একদিন
বাতি চার্জ দেয়ার সময় হঠাৎ বিদ্যুতের তারে হাতের স্পর্শ লাগে। কিন্তু
বৈদ্যুতিক শক অনুভব না করায় পরপর কয়েক বার অনুসন্ধান করে বিষয়টি পুরোপুরি
নিশ্চিত হন তিনি। এ সময় বৈদ্যুতিক শক লাগা তো দূরের কথা, কোনো কিছুই অনুভব
করেননি ঝেং। ১৯৯৪-এর দিকে চীনের একাডেমি অফ সায়েন্স এ ব্যাপারে অনুসন্ধান
চালায়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিশেষজ্ঞরা একে এজানা এক শারীরিক অসুস্থতা বলে
উল্লেখ করেন। তবে ঝেং তার এ বিশেষ শারীরিক ক্ষমতা ব্যবহার করে
বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনসহ বহু লোকের বাত ও অস্থিসন্ধির ব্যথা সারিয়ে
তুলেছেন বলে দাবি করছেন। পায়ে প্যারালাইসিস আক্রান্ত এক বন্ধু তার শরীরের
শক নেয়ার ছয় মাস পর সেরে ওঠেন। লোকটি নাকি এখন সাইকেল চালাতে পারে।
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় জানা গেছে, মানুষের স্নায়ুতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে
পারে। সাধারণত কোনো মোটা কার্পেটের ওপর দিয়ে হাঁটার সময় উৎপন্ন এ বিদ্যুতের
পরিমাণ ১০ হাজার ভোল্ট পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু অতি সামান্য পরিমাণ চার্জ
ধারণ করতে পারে বলে শরীরে উৎপন্ন এ বিদ্যুৎ আদৌ কোনো গুরুত্ব বহন করে না।
কিন্তু তথাকথিত এ বিদ্যুৎ মানবেরা তাদের সম্ভাব্য এ শক্তিকে পুরোপুরি কাজে
লাগাতে পারে।
আরো কয়েকজন বিদ্যুৎ মানব ও তাদের কেরামতি
শকার্স নামে পরিচিত এ ব্যক্তি টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার
পর্যন্ত চালাতে পারে নিজের বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহার করে।
ব্রেন্ডা সেকলিয়ন - ভিসালিয়ার এ মহিলা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তার
মাথার ওপরকার স্ট্রিট লাইটগুলো নিভে যায়। জায়গাটি পেরিয়ে যাওয়ার পর সেগুলো
আবার জ্বলে ওঠে।
কেরলাইন ক্লারি-কানাডার ওন্টারিওতে বসবাসরত এ ব্যক্তির দিকে ধাতব পদার্থ ছুটে আসে। অন্যদের শক দিয়ে অবাক করে দিতে পারে সে।
ল্ইুস হামবারগার-মেরিল্যান্ডের ষোল বছরের এ বালক হালকাভাবে ধরে যাবতীয় ভারি জিনিসপত্র তুলতে পারে।
Source: http://www.somewhereinblog.net
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment